চিয়া সিড হচ্ছে পৃথিবীর সুপার ফুড গুলোর মধ্যে অন্যতম
চিয়া সীডে ফাইবার, প্রোটিন, এন্টি অক্সিডেন্ট এবং মিনারেলসের এতো বেশি সংমিশ্রণ রয়েছে যার কারণে এটিকে মিনারেল পাওয়ার হাউজ এবং গ্রেট ডিটক্সিফাইয়ার বলা হয়।
প্রতি ২৮ গ্রাম চিয়া সিড এ আছে
এনার্জি ১৩৭ ক্যালোরি
কার্বোহাইড্রেড ৩ গ্রাম
প্রোটিন ৪গ্রাম
ফ্যাট ৬ গ্রাম
ফাইবার ৬ গ্রাম
ম্যাগজিন ৬ মিলিগ্রাম
ফসফরাস ২৬৫ মিলিগ্রাম
ক্যালশিয়াম ১৭৭ মিলিগ্রাম
জিঙ্ক ১ মিলিগ্রাম
তামা ১ মিলিগ্রাম
পটাশিয়াম ৮ মিলিগ্রাম
চিয়া সিড এর উপকারিতা:
১) চিয়া সীডে ওমেগা-3 প্রচুর মাত্রায় থাকে যা শরীরের কোলেস্টরলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে, হার্ট ভালো রাখে।
২) চিয়া সীড ক্যালশিয়ামের জন্য খুবই ভালো| এতে ১৮% ক্যালশিয়াম পাওয়া যায় যদি আপনি রোজ এটি খেয়ে থাকেন, তাহলে আপনার হাঁড় মজবুত ও দাঁতের স্বাস্থ্য ভালো থাকবে।
৩) চিয়া সীড আমাদের ওজন নিয়ন্ত্রণ এ গুরুত্ত পূর্ণ ভূমিকা রাখে , এটা খেলে অনেক সময় দরে পেট ভরা থাকে এতে করে আমরা এক্সট্রা ক্যালোরি ইনটেক থেকে বিরত থাকি,
চিয়া সীড আমাদের পেটের মেদ বার্ন করতে সাহায্য করে।
৪) চিয়া সীডে প্রোটিন সমৃদ্ধ এছাড়াও প্রচুর পরিমানে ভিটামিন মিনারেল আছে। তাই চিয়া সীড খেলে ব্রেইন বুস্ট আপ হয়।
৫) চিয়া সীডে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এ ভরপুর যা আমাদের বডি কে এক্সট্রা এনার্জি প্রভাইট করে, শরীরের ক্ষতিকর জীবাণু কে ধ্বংস করে দেয়।
৬) চিয়া সীডে মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমানে আয়রন, প্রোটিন ও ভিটামিন K যা আমাদের চুল ও ত্বকের জন্য খুবই ভালো। স্কিন এর উজ্জ্বলতা বজায় রাখতেও সহায়তা করে থাকে|
সাথে চুলের গোড়া শক্ত করে। চুলে এক্সট্রা সাইন অ্যাড করে।
৭) চিয়া সীডে আমাদের রক্তে ইনসুলিনের মাত্রাকে সঠিক ভাবে বজায় রাখতে সহায়তা করে থাকে| তাই যাদের ডায়াবেটিস এর সমস্যা রয়েছে তাদের জন্য এটি একটি ভালো ওষুধের মতো কাজ করে থাকে|
বেনিফিটস অফ Chia Seed:
(১) ওয়েট লস করে। এটি ওয়েট লসের জন্য এমন একটি ম্যাজিকাল উপাদান যেটা নিয়মিত খেলে এক্সারসাইজ করার সমান অনুপাতে ওয়েট লস হবে।
(২) এনার্জি এবং স্টামিনা বাড়ায়।
(৩) মেমোরি ইম্প্রুভ করে এবং মুড ঠিক রাখে।
(৪) ইমিউন সিস্টেম স্ট্রং করে।
(৫) ব্লাড সুগার লেভেল নরমাল রাখে।
(৬) ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্ট্রল কমায়।
(৭) ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখে।
(৮) টক্সিন মুক্ত রাখে।
(৯) ইনফ্লেমেশন কমায়। অর্থাৎ কোথাও কেটে গেলে সেটা সেরে যেতে সাহায্য করে এবং ক্ষতিকর ব্যাক্টেরিয়ার সংকক্রমণ কমায়।
(১০) ঠিক সময়ে এবং পরিপূর্ণভাবে ঘুম হতে সাহায্য করে।
(১১) ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে।
(১২) হজমে সাহায্য করে।
(১৩) দাঁতের সকল সমস্যা প্রতিরোধ করে দাঁতকে আরও শক্তিশালী এবং হেলথি করতে সাহায্য করে।
(১৪) হাটুর ব্যাথা অথবা যে কোন জয়েন্ট পেইন কমাতে সাহায্য করে।
(১৫) hyperactivity disorder নামক সমস্যার সমাধান হিসেবে কাজ করে।
(১৬) হেলথি স্কিন, হেয়ার এবং নেইলস হতে সাহায্য করে।
(১৭) যে কোন পোষা প্রাণীর হেলথি ফুড হিসেবেও ভূমিকা রাখে।
খাবারের নিয়মঃ
চিয়া সীড যে কোনো খাবারের মধ্যেই একটু ছিটিয়ে দিয়ে খাবারের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। এছাড়া ফ্রুট সালাদ অথবা ভেজিটেবল সালাদের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়। তারপর খালি পেটে সকালে ১গ্লাস পানির মধ্যে চিয়া সীড এবং লেবু মিশিয়ে খাওয়া যায়, স্মুথির সাথে খাওয়া যায়। তবে স্মুথির সাথে মিশিয়ে খেলে এক্সট্রা নিউট্রিশন প্রভাইড করবে।এছাড়াও ইউটিউব সার্চ দিলে অনেক রেসিপিই জানতে পারবেন।
আপনাদের যে কোন প্রয়োজনে আমাদের ইনবক্স করুন।
প্রকৃতির মমতায় জীবনে আসুক বিশুদ্ধতা
For Order Click Here