List of MLM company in Bangladesh

Allysian Sciences https://www.allysian.com/
A1 Healthcare Bangladesh Ltd https://a1healthcarebd.com/
Best World Express www.bestworldex.com
DXN Bangladesh https://www.dxn2u.com/
Excellent World Ltd. http://www.excellentfutureml.com/
Forever Living Bangladesh https://foreverliving.com/
K-link Bangladesh Ltd. www.klinkbangladesh.com/
MXN Modern Herbal www.modernherbalbd.com/
Nuverus www.nuverus.com
   
   
   
   

স্পিরুলিনা নামটি উদ্ধুত হয়েছে ল্যাটিন শব্দ “spira” হতে, যার অর্থ হচ্ছে পাকানো বা সর্পিলাকার। স্পিরুলিনা’ হলো অতি ক্ষুদ্র নীলাভ সবুজ শৈবাল যা সূর্যালোকের মাধ্যমে দেহের প্রয়োজনীয় শক্তি উৎপাদন করে । এটি সাধারণত পানিতে জন্মে। সামুদ্রিক শৈবাল নামেই এর বেশি পরিচিতি। বর্তমানে কৃত্রিম জলাধারে এর বাণিজ্যিক উৎপাদন হচ্ছে। এতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, ভিটামিন, লৌহ ও একাধিক খণিজ পদার্থ। সাধারণ খাদ্য হিসেবে তো বটেই নানা রোগ নিরাময়ে মুল্যবান ভেষজ হিসেবে দেশে-বিদেশে স্পিরুলিনার প্রচুর চাহিদা রয়েছে। স্পিরুলিনা একটি শক্তিবর্ধক সম্পূরক খাদ্য। প্রোটিন, ভিটামিন ও মিনারেলস সমৃদ্ধ প্রকৃতির আশ্চর্য খাবার স্পিরুলিনা। স্পিরুলিনার গুণাগুণ অনেক। বিশেষ করে প্রচুর ভিটামিন, লৌহ ও নীলাভ সবুজ রং থাকার কারণে স্পিরুলিনায় রয়েছে নানা ধরনের রোগ প্রতিরোধের উপাদান।
This is called Super Food. by NASA

যারা দুপুরের খাবার খেতে সমস্যা হয় তারা শুধু ২টি ট্যাবলেট খেলেই চলবে। পুষ্টির চাহিদা মেটাবে।

রোগ প্রতিরোধে স্পিরুলিনার উপকারিতা ও গুনাবলিঃ
—————————————————————
= ৬০-৬৩% উদ্ভিজ্জ আমিষ স্পিরুলিনায় আছে যা কিনা মাংসের চাইতে ৩-৪ গুণ বেশি।
= স্পিরুলিনায় অধিক পরিমানে প্রোটিন, ভিটামিন, লৌহ ও একাধিক খণিজ পদার্থ থাকে।
= সাধারন খাবার হিসেবে এটি খাওয়া যাবে প্রতিদিন।
= মুল্যবান ভেষজ হিসেবে দেশে-বিদেশে স্পিরুলিনার প্রচুর চাহিদা রয়েছে।
= স্পিরুলিনা দেহের শক্তি যোগায় প্রচুর পরিমাণে।
= সাইক্লিস্ট ও অ্যাথলেটিকসদের জন্য স্পিরুলিনা উপকারী খাবার।
= স্পিরুলিনা একটি শক্তিবর্ধক সম্পূরক খাদ্য।
= স্পিরুলিনা নিয়মিত খেলে দৈনন্দিন পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে পুষ্টিহীনতা, রক্তশূন্যতা, রাতকানা, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, আলসার, বাত, হেপাটাইটিস ও ক্লান্তি দূর হবে।
= স্পিরুলিনার প্রায় অর্ধেকটাই আমিষ।
= দিনে মাত্র ১০ গ্রাম স্পিরুলিনা খেয়ে দৈনিক আমিষ চাহিদার ৭০% মেটানো সম্ভব।
= পেশিকলা গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা রাখে স্পিরুলিনা । এছাড়াও এটি শরীর থেকে বের করে দেয় দিনের পর দিন জমে ওঠা ক্ষতিকর সব টক্সিন।
= এটি পরিশ্রম করার ক্ষমতা বাড়ায় এবং শরীরের ওজনও রাখে নিয়ন্ত্রনে।
= সবুজ শ্যাওলাতে ৬০% এর মত সব ভেজিটেবলের প্রোটিন আছে।
= প্রোটিন যুক্ত খাবার যেমন মাছ, মাংস, দুধ বা ডিমর চাহিদা স্পিরুলিনা পুরুন করতে পারে।
গর্ভবতী মহিলাদের জন্য স্পিরুলিনার উপকারিতা
————————————————————
গর্ভবতী মহিলাদের জন্য এটা বেশ কাজের। গর্ভবতী মহিলাদের আয়রনের অভাব পুরুন করার জন্য ডাক্তার সাধারণত লিভার খাবারের পরামর্শ দেন। স্পিরুলিনা লিভারের অপোজিট হিসাবে কাজ করে। বাচ্চাদের সবসময় সব পুষ্টি খাবার দেয়া সম্ভব হয়ে উঠে না বা সব খাবার বাচ্চারা খেতেও চায় না। পুষ্টি সমস্যা পুরুনে স্পিরুলিনা এক্ষেত্রে ভালো ভুমিকা রাখতে পারে।

স্পিরুলিনা হেলথ টিপসঃ
——————————
১। ক্যান্সার সেল প্রটেক্ট করে
২। শরীরের ওয়েট কমায়
৩। শরীরের এসিডেটি কমায়
৪। এলডিএল ও এইচ ডি এল ব্যালেন্স করে
৫। লিভার ও কিডনি ফাংশন সচল রাখতে সাপোর্ট দেয়
৬। সাইনোসাইসের জন্য উপকারী

অর্গানিক স্পিরুলিনাঃ আমাদের কাছে আছে অর্গানিক স্পিরুলিনা যা আর্ন্তজাতিক মান সম্পন্ন। দেশে প্রাপ্ত যে কোন স্পিরুলিনার সাথে মানে ও মূল্যে সেরা এই পণ্যটি।
অফিসে দুপুরের খাবারের বিকল্প হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন ২টা ট্যাবলেট।

"কালিজিরা মৃত্যু ছাড়া সকল রোগের ঔষধ" এটি একটি সহীহ হাদিস।
সাধারণত কালোজিরা নামে পরিচিত হলেও কালোজিরার আরো কিছু নাম আছে, যেমন- কালো কেওড়া, রোমান করিয়েন্ডার বা রোমান ধনে, নাইজেলা, ফিনেল ফ্লাওয়ার, হাব্বাটুসউডা ও কালঞ্জি ইত্যাদি। কালোজিরার বৈজ্ঞানিক নাম nigella sativa। যে নামেই ডাকা হোকনা কেন এই কালো বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা অপরিসীম। ক্ষতিকর ব্যাকটেরিয়া নিধন থেকে শুরু করে শরীরের কোষ ও কলার বৃদ্ধিতে সহায়তা করে কালোজিরা। শুধুমাত্র স্বাস্থ্যের জন্যই না কালোজিরা চুল ও ত্বকের জন্যও অনেক উপকারি। প্রত্যেকের রান্নাঘরেই কালোজিরা থাকে যা খাবারকে সুবাসিত করে। আসুন কালোজিরার উপকারিতা গুলো জেনে নেই।

০১। স্মরণ শক্তি বৃদ্ধি : এক চা-চামচ পুদিনাপাতার রস বা কমলার রস বা এক কাপ রঙ চায়ের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে দিনে তিনবার করে নিয়মিত সেব্য। যা দুশ্চিন্ত দূর করে। এছাড়া কালোজিরা মেধার বিকাশের জন্য কাজ করে দ্বিগুণ হারে। কালোজিরা নিজেই একটি অ্যান্টিবায়োটিক বা অ্যান্টিসেপটিক। মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির মাধ্যমে স্মরণ শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে। কালোজিরা খেলে আমাদের দেহে রক্ত সঞ্চালন ঠিকমতো হয়। এতে করে মস্তিস্কের রক্ত সঞ্চলন বৃদ্ধির হয়। যা আমাদের স্মৃতি শক্তি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

০২। মাথা ব্যাথা নিরাময়ে : ১/২ চা-চামচ কালোজিরার তেল মাথায় ভালোভাবে লাগাতে হবে এবং এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দিনে তিনবার করে ২/৩সপ্তাহ সেব্য।

০৩। সর্দি সারাতে : এক চা চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ৩বার সেব্য এবং মাথায় ও ঘাড়ে রোগ সেরে না যাওয়া পর্যন্ত মালিশ করতে হবে। এছাড়া এক চা-চামচ কালোজিরার সঙ্গে তিন চা-চামচ মধু ও দুই চা-চামচ তুলসী পাতার রস মিশিয়ে খেলে জ্বর, ব্যথা, সর্দি-কাশি দূর হয়। সর্দি বসে গেলে কালিজিরা বেটে কপালে প্রলেপ দিন। একই সঙ্গে পাতলা পরিষ্কার কাপড়ে কালিজিরা বেঁধে শুকতে থাকুন, শ্লেষ্মা তরল হয়ে ঝরে পড়বে। আরো দ্রুত ফল পেতে বুকে ও পিঠে কালিজিরার তেল মালিশ করুন।

০৪। বাতের ব্যাথা দূরীকরণে: আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মালিশ করে; এক চা-চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল সমপরিমান মধু বা এক কাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেব্য।

০৫। বিভিন্ন প্রকার চর্মরোগ সারাতে: আক্রান্ত স্থানে ধুয়ে পরিষ্কার করে তাতে মালিশকরে; এক চা-চামচ কাঁচা হলুদের রসের সাথে সমপরিমাণ কালোজিরার তেল সমপরিমান মধু বা এককাপ রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে২/৩ সপ্তাহ সেব্য।

০৬।হার্টের বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে : এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সহ এক কাপ দুধ খেয়ে দৈনিক ২বার করে ৪/৫ সপ্তাহ সেব্য এবং শুধু কালোজিরার তেল বুকে নিয়মিত মালিশ করতে হবে।

০৭।ব্লাড প্রেসারনিয়ন্ত্রনে রাখতে : প্রতিদিন সকালে রসুনের দুটি কোষ চিবিয়ে খেয়ে এবং সমস্ত শরীরে কালোজিরার তেল মালিশ করে সূর্যেরতাপে কমপক্ষে আধাঘন্টা অবস্থান করতে হবে এবং এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণমধুসহ প্রতি সপ্তাহে ২/৩ দিন সেব্য যা ব্লাড প্রেসার নিয়ন্ত্রণ রাখে। এছাড়া কালোজিরা বা কালোজিরা তেল বহুমুত্র রোগীদের রক্তের শর্করার মাত্রা কমিয়ে দেয় এবং নিম্ন রক্তচাপকে বৃদ্ধি করে ও উচ্চ রক্তচাপকে হ্রাস করে।

০৮। অর্শ রোগ নিরাময়ে : এক চা-চামচ মাখন ও সমপরিমাণ তেল চুরন/তিলের তেল, এক চা-চামচ কালোজিরার তেল সহ প্রতিদিন খালি পেটে ৩/৪ সপ্তাহ সেব্য।

০৯। শ্বাস কষ্ট বা হাঁপানি রোগ সারাতে: যারা হাঁপানী বা শ্বাসকষ্ট জনিত সমসসায় ভুগে থাকেন তাদের জন্য কালোজিরা অনেক বেশি উপকারী। প্রতিদিন কালোজিরার ভর্তা রাখুন খাদ্য তালিকায়। কালোজিরা হাঁপানি বা শ্বাস কষ্টজনিত সমস্যা উপশম হবে।এছাড়া এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল, এক কাপ দুধ বা রং চায়ের সাথে দৈনিক ৩বার করে নিয়মিত সেব্য।

১০। ডায়বেটিক নিয়ন্ত্রণে: ডায়াবেটিকদের রোগ উপশমে বেশ কাজে লাগে কালিজিরা। এক চিমটি পরিমাণ কালিজিরা এক গ্লাস পানির সঙ্গে প্রতিদিন সকালে খালি পেটে খেয়ে দেখুন, রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। এছাড়া এক কাপ চা-চামচকালোজিরার তেল, এক কাপ রং চা বা গরম ভাতের সাথে মিশিয়ে দৈনিক ২বার করে নিয়মিত সেব্য। যা ডায়বেটিকস নিয়ন্ত্রণে একশত ভাগ ফলপ্রসূ।

১১। জৈব শক্তি বৃদ্ধির জন্য : কালোজিরা নারী- পুরুষ উভয়ের যৌনক্ষমতা বাড়ায়। প্রতিদিন কালোজিরা খাবারে সাথে খেলে পুরুষের স্পার্ম সংখ্যা বৃদ্ধি পায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তির সম্ভাবনা তৈরি করে। মধ্যপ্রাচ্যে প্রচলিত আছে যে, কালিজিরা যৌন ক্ষমতা বাড়ায় এবং পুরুষত্বহীনতা থেকে মুক্তি দিতে সহায়তা করে। একচা-চামচ মাখন, এক চা-চামচ জাইতুন তেল সমপরিমাণ কালোজিরার তেল ও মধুসহ দৈনিক ৩বার৪/৫ সপ্তাহ সেব্য। তবে পুরানো কালোজিরা তেল স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ক্ষতিকারক।

১২। অনিয়মিত মাসিক স্রাববা মেহ/প্রমেহ রোগের ক্ষেত্রে : এক কাপকাঁচা হলুদের রস বা সমপরিমাণ আতপ চাল ধোয়া পানির সাথে এক কাপ চা-চামচ কালোজিরার তেল মিশিয়ে দৈনিক ৩বার করে নিয়মিত সেব্য। যা শতভাগ কার্যকরী ।

১৩। দুগ্ধ দান কারিনীমা’ দের দুধ বৃদ্ধির জন্য : যেসব মায়েদের বুকে পর্যাপ্ত দুধ নেই, তাদের মহৌষধ কালিজিরা। মায়েরা প্রতি রাতে শোয়ার আগে ৫-১০ গ্রাম কালিজিরা মিহি করে দুধের সঙ্গে খেতে থাকুন। মাত্র ১০-১৫ দিনে দুধের প্রবাহ বেড়ে যাবে। এছাড়া এ সমস্যা সমাধানে কালিজিরা ভর্তা করে ভাতের সঙ্গে খেতে পারেন।এছাড়াএকচা-চামচ কালোজিরার তেল সমপরিমাণ মধুসহ দৈনিক ৩বার করে নিয়মিত সেব্য। যা শতভাগ কার্যকরী।

১৪। ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখেঃ ত্বকের গঠনের উন্নতি ও ত্বকের প্রভা বৃদ্ধির জন্য কালোজিরা অত্যাবশ্যকীয়। এতে লিনোলেইক ও লিনোলেনিক নামের এসেনশিয়াল ফ্যাটি এসিড থাকে যা পরিবেশের প্রখরতা, স্ট্রেস ইত্যাদি থেকে আপনার ত্বককে রক্ষা করে এবং ত্বককে সুন্দর করে ও ত্বকের তারুণ্য ধরে রাখে।
· মধু ও কালোজিরার পেস্ট বানিয়ে ত্বকে লাগিয়ে আধাঘন্টা বা একঘন্টা রাখে ধুয়ে ফেলুন, এতে ত্বক উজ্জ্বল হবে।
· যদি আপনার ব্রণের সমস্যা থাকে তাহলে আপেল সাইডার ভিনেগারের সাথে কালোজিরা মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে কিছুক্ষণ রেখে দিন। নিয়মিত লাগালে ব্রণ দূর হবে।
· শুষ্ক ত্বকের জন্য কালোজিরার গুঁড়া ও কালোজিরার তেলের সাথে তিলের তেল মিশিয়ে ত্বকে লাগান। এক সপ্তাহের মধ্যে লক্ষণীয় পরিবর্তন দেখতে পাবেন।

১৫। গ্যাষ্ট্রীক বা আমাশয় নিরাময়ে : এক চা-চামচ তেলসমপরিমাণ মধু সহ দিনে ৩বার করে ২/৩ সপ্তাহ সেব্য।

১৬।জন্ডিস বা লিভারের বিভিন্ন সমস্যার দূরীকরণে : একগ্লাস ত্রিপলার শরবতের সাথে এক চা-চামচ কালোজিরার তেল দিনে ৩বার করে ৪/৫ সপ্তাহসেব্য।

১৭। রিউমেটিক এবং পিঠেব্যাথা দূর করার জন্য: কালোজিরার থেকে যে তেল বের করা হয় তা আমাদের দেহে বাসা বাঁধা দীর্ঘমেয়াদী রিউমেটিক এবং পিঠে ব্যথা কমাতে বেশ সাহায্য করে। এছাড়াও সাধারণভাবে কালোজিরা খেলেও অনেক উপকার পাওয়া যায়।

১৮। শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি করতে কালোজিরা: দুই বছরের অধিক বয়সী শিশুদের কালোজিরা খাওয়ানোর অভ্যাস করলে দ্রুত শিশুর দৈহিক ও মানসিক বৃদ্ধি ঘটে। শিশুর মস্তিষ্কের সুস্থতা এবং স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধিতেও অনেক কাজ করে কালোজিরা। দুই বছরের কম বয়সের বাচ্চাদের কালোজিরার তেল সেবন করা উচিত নয়। তবে বাহ্যিক ভাবে ব্যবহার করা যাবে।

১৯। মাথা ব্যথায দূর করতে: মাথা ব্যথায় কপালে উভয় চিবুকে ও কানের পার্শ্ববর্তি স্থানে দৈনিক ৩/৪ বার কালোজিরা তেল মালিশ করলে উপকার পাওয়া যায়।

২০। স্বাস্থ্য ভাল রাখতে: মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল রোগ মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।

২১। হজমের সমস্যায দূরীকরণে: হজমের সমস্যায় এক-দুই চা-চামচ কালিজিরা বেটে পানির সঙ্গে খেতে থাকুন। এভাবে প্রতিদিন দু-তিনবার খেলে এক মাসের মধ্যে হজমশক্তি বেড়ে যাবে। পাশাপাশি পেট ফাঁপাভাবও দূর হবে।

২২। লিভারের সুরক্ষায়: লিভারের সুরক্ষায় ভেষজটি অনন্য। লিভার ক্যান্সারের জন্য দায়ী আফলাটক্সিন নামক বিষ ধ্বংস করে কালিজিরা।

২৩। চুল পড়া বন্ধ করতে: কালিজিরা খেয়ে যান, চুল পর্যাপ্ত পুষ্টি পাবে। ফলে চুল পড়া বন্ধ হবে। আরো ফল পেতে চুলের গোড়ায় এর তেল মালিশ করতে থাকুন।

২৫। দাঁত ব্যথা দূরীকরণে: দাঁতে ব্যথা হলে কুসুম গরম পানিতে কালোজিরা দিয়ে কুলি করলে ব্যথা কমে; জিহ্বা, তালু, দাঁতের মাড়ির জীবাণু মরে।

২৬। শান্তিপূর্ণ ঘুমের প্রয়োজনে: তেল ব্যবহারে রাতভর প্রশান্তিপর্ন নিদ্রা হয়।

২৭। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে কালোজিরা: কালোজিরা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে। নিয়মিত কালোজিরা খেলে শরীরের প্রতিটি অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সতেজ থাকে। এতে করে যে কোন জীবানুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে দেহকে প্রস্তুত করে তোলে এবং সার্বিকভাবে স্বস্থ্যের উন্নতি করে। ১ চামচ কালোজিরা অথবা কয়েক ফোটা কালোজিরার তেল ও ১চামচ মধুসহ প্রতিদিন সেবন করলে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়বে।

২৮।পারকিনসন্স রোগের প্রতিকারেঃ কালোজিরায় থাইমোকুইনিন থাকে যা পারকিনসন্স ও ডিমেনশিয়ায় আক্রান্তদের দেহে উৎপন্ন টক্সিনের প্রভাব থেকে নিউরনের সুরক্ষায় কাজ করে।

২৯। চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত করেঃ কালোজিরার তেল চুলের কোষ ও ফলিকলকে চাঙ্গা করে ও শক্তিশালী করে যার ফলে নতুন চুল সৃষ্টি হয়। এছাড়াও কালোজিরার তেল চুলের গোড়া শক্ত করে ও চুল পড়া কমায়।

৩০। কিডনির পাথর ও ব্লাডারঃ ২৫০ গ্রাম কালোজিরা ও সমপরিমাণ বিশুদ্ধ মধু। কালোজিরা উত্তমরূপে গুঁড়ো করে মধুর সাথে মিশ্রিত করে দুই চামচ মিশ্রণ আধাকাপ গরমপানিতে মিশিয়ে প্রতিদিন আধাকাপ তেল সহ পান করতে হবে। কালোজিরার টীংচার মধুসহ দিনে ৩/৪ বার ১৫ ফোটা সেবন করতে পারেন।

৩১। চোখের ব্যথা দূর করতেঃ রাতে ঘুমোবার আগে চোখের উভয়পাশে ও ভুরুতে কালোজিরা তেল মালিশ করুন এবং এককাপ গাজরের রসের সাথে একমাস কালোজিরা তেল সেবন করুন। নিয়মিত গাজর খেয়ে ও কালোজিরা টীংচার সেবন আর তেল মালিশে উপকার হবে। প্রয়োজনে নির্দেশিত হোমিও ও বায়োকেমিক ওষুধ সেবন।

৩২। উচ্চরক্তচাপঃ যখনই গরম পানীয় বা চা পান করবেন তখনই কালোজিরা কোন না কোন ভাবে সাথে খাবেন। গরমখাদ্য বা ভাত খাওয়ার সময় কালোজিরা ভর্তা খান। এ উভয়পদ্ধতির সাথে রসুনের তেল সাথে নেন। সারা দেহে রসুন ও কালোজিরা তেল মালিশ করুন। কালোজিরা, নিম ও রসুনের তেল একসাথে মিশিয়ে মাথায় ব্যবহার করুন। ভালো মনে করলে পুরাতন রোগীদের ক্ষেত্রে একাজটি ২/৩ দিন অন্তরও করা যায়।

৩৩। ডায়রিয়াঃ মুখে খাবার স্যালাইন ও হোমিও ওষুধের পাশাপাশি ১ কাপ দই ও বড় একচামচ কালোজিরা তেল দিনে ২ বার ব্যবস্থেয়। এর মূল আরকও পরীক্ষনীয়।

৩৪। জ্বরঃ সকাল-সন্ধ্যায় লেবুর রসের সাথে ১ চামচ কালোজিরা তেল পান করুন আর কালোজিরার নস্যি গ্রহন করুন। কালোজিরা ও লেবুর টীংচার (অ্যাসেটিকঅ্যাসিড) সংমিশ্রন করে দেয়া যেতে পারে।

৩৫।স্নায়ুবিক উত্তেজনাঃ কফির সাথে কালোজিরা সেবনে দুরীভুত হয়।

৩৬। উরুসদ্ধি প্রদাহঃ স্থানটি ভালোভাবে সাবান দিয়ে ধুয়ে নিয়ে ৩ দিন সন্ধ্যায় আক্রান্ত স্থানে কালোজিরা তেল লাগান এবং পর দিন সকালে ধুয়ে নিন।

৩৭। আঁচিলঃ হেলেঞ্চা দিয়ে ঘষে কালোজিরা তেল লাগান। হেলেঞ্চা মুল আরক মিশিয়ে নিলেও হবে। সাথে খেতে দিন হোমিও ওষুধ

সকাল রোগের প্রতিষেধক : মধুসহ প্রতিদিন সকালে কালোজিরা সেবনে স্বাস্থ্য ভালো থাকে ও সকল মহামারী হতে রক্ষা পাওয়া যায়।
কালোজিরা ও মাশরুম দিয়ে তৈরী আমাদের পণ্য এখানে ক্লিক করুন

সূত্রঃ সময়ের কণ্ঠস্বর

ননী কি?

উদ্ভিদ বিজ্ঞানে এর নাম মরিন্ডা সিট্রিফলিয়া যা এসেছে দুটি ল্যাতিন শব্দ ‘মোরাস’ যার মানে ‘মালবেরি’ এবং ‘ইন্ডিকা’ যার অর্থ ‘ইন্ডিয়ান’। ননি ফলের গাছ মরিন্ডা সিট্রিফলিয়া গ্রীষ্মমন্ডল এলাকায় ব্যাপকভাবে জন্মায়। কায়ামান দ্বীপপুঞ্জে এটিকে বলা হয় ‘হগ অ্যাপেল’ অস্টেলিয়ায় এটির নাম ‘চীজ ফ্রুট’ বার্মায় এটির পরিচয় ‘নোনা’ নামে। ভারতে এটি ব্যাপকভাবে হয় পশ্চিম ঘাট অঞ্চলে এবং এখানে এর পরিচিত নাম ইন্ডিয়ান মালবেরি বা ভারতীয় তুঁতফল। ননী সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক এবং অর্গানিক।

ননীর উপাদানসমূহঃ
ক. ভিটামিন এ, বি, সি, ই, বি২, বি৬, বি১২
খ. ক্যালসিয়াম, আয়রন, ফসফরাস, জিঙ্ক, সোডিয়াম, পটাশিয়াম, কপার, ম্যাগনেসিয়াম, ফলিক এসিড, নিয়াসিন, ক্রোমিয়াম, কার্বহাইড্রেডস, অ্যামাইনো এসিড, মলিবডিয়াম।
গ. স্কোপোলেটিন, অকটাইনক এসিড, টার্পেনয়েডস, অ্যালকালয়েডস, অ্যানথ্রাকুইননস, আর্সেলিক এসিড, ড্যামনাক্যন্থাল, সেলেনিয়াম, প্রোক্সোরোনিন।
জেরোনিন থিওরীঃ
বায়োকেমিষ্ট ডঃ রাল্ফ হেইনিক সর্বপ্রথম এই ননী ফল থেকে স্পটিকের মত একটি পদার্থকে পৃথক করেন যার নাম প্রোক্সেরোনিন। পদার্থটি জেরোনিন নামক আরেকটি পদার্থের সংশ্লেষনের জন্য দায়ী। প্রোক্সোরোনিন থেকে জেরোনিন তৈরী হওয়ার পর সেটি দেহের প্রোটিনের সঙ্গে যুক্ত হয় যাতে সেগুলি কাজ করতে সক্ষম হয়। জেরোনিন ছাড়া প্রোটিন তার কোন কাজ করতে সক্ষম নয়। জেরোনিন কোষ ঝিল্লির ছিদ্রগুলিকে বড় করতে সহায়তা করে ফলে ক্ষুদ্র পুষ্টিদ্রব্য এবং ঔষধ আরো ভালভাবে শোষণ হয়। কিছু কিছু প্রোটিনের একটি নির্দিষ্ট স্থান আছে যেগুলি জেরোনিনের সঙ্গে যুক্ত হতে সাহায্য করে।
হরমোন, অ্যান্টিবডি ও উৎসেচক হিসেবে কাজ করে এমন প্রোটিনের কাজ করার জন্য জেরোনিন প্রয়োজন।

অ্যান্টিবায়োটিক ওষধ বনাম ননীঃ
অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কারের পর আমেরিকান বিজ্ঞানীরা সদর্পে ঘোষণা করেছিলেন ‘Antibiotics will wipeout illness by the end of 20th century’ অর্থাৎ ‘বিংশ শতাদ্বীর শেষে অ্যান্টিবায়োটিক পৃথিবী থেকে রোগ নির্মূল করে ফেলবে’। কিন্তু তা এখনো সম্ভব হয়নি বরং এর মারাত্নক সাইড ইফেক্ট মানুষের অস্তিত্বকে হুমকির সম্মুখিন করেছে।
মানুষ ফিরে যেতে শুরু করেছে প্রকৃতির কাছে। ফার্মাকোলজিকাল দিক থেকে ননীর মধ্যে দেখা কিছু উল্লেখযোগ্য বৈশিষ্ট্যঃ
(ক) অ্যাডাপটোজেন-অ্যাডাপটোজেন হচ্ছে এমন বস্তু শরীরের সমস্থ সিস্টেমের উপর যার একটি ব্যালেন্সিং এফেক্ট বর্তমান। এপর্যন্ত আবিস্কৃত ১২টি অ্যাডাপটোজেন এর মধ্যে ননী জুস হচ্ছে প্রথমসারির অ্যাডাপটোজেন।
(খ) এ্যালকালাইন- আম্লিক পরিবেশে দেহের কোষকলার কার্য্যকারিতা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়। ননী জুস দেহে আম্লিকভাব কাটিয়ে ক্ষারকীয় বৈশিষ্ট্য নিয়ে আসে।
(গ) এন্টি অক্সিডেন্ট- ফ্রীরাডিক্যালস এবং অন্যান্য কিছু দ্রব্য উঘঅ ড্যামেজ ঘটিয়ে ক্যান্সার ডেকে আনে। এন্টি অক্সিডেন্টের কাজ হচ্ছে ফ্রি র্যাডিক্যাল প্রশমিত করা। ননী হচ্ছে খুব কার্যকরী এন্টি অক্সিডেন্ট।
(ঘ) লো গ্রাইসেমিক ইনডেক্স- ননী জুসে ৩ঃ১ অনুপাতে কার্বোহাইড্রেট ও ফাইবার থাকার কারণে তা ব্লাডপ্রেসার স্বাভাবিক রাখে।
(ঙ) হিউম্যাকট্যান্টঃ আদর্শ হিউম্যাকট্যান্ট হিসেবে ননী জুস টিস্যুর ময়েশ্চার ধরে রাখতে সাহায্য করে।

ননী কোন ঔষধ নয়ঃ
ননী কোন ঔষধ নয়। এটি ফলের রসের সংমিশ্রণ।
এটি কোন ঔষধ বা খাদ্যের বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয় না।
এটি ওষধের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
এটি ওষধের সঙ্গে ব্যবহার্য।

Related image

মানবদেহে ননীর প্রভাবঃ
ননী কোষীয় কার্য নিয়ন্ত্রণ করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসাবে কাজ করে।
রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে।
পরিপাক ব্যবস্থা উন্নত করে।
টিউমারের বৃদ্ধি কমিয়ে ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়।
স্মৃতিশক্তি ও মনোযোগ বাড়ায় এবং মানসিক চাপ মুক্ত করে।
বয়সজনিত বিভিন্ন সমস্যা যেমন আথ্রাইটিস, হৃদরোগ, ডায়াবেটিস এবং স্ট্রোক কমায়।
ননী ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ফাংগাসের বিরুদ্ধে কাজ করে।
নাইট্রিক অক্সাইড বৃদ্ধির মাধ্যমে রক্তে অক্সিজেনের সরবরাহ বৃদ্ধিসহ পেশিকে সুগঠিত করে।
ননী ত্বক, চুল ও স্কালপের পরিচর্যা করে।
ননী মূলত অ্যাডোপটোজেন হিসেবে কাজ করে।

মেডিসিন হিসেবে ননীর ব্যবহারঃ
সম্পূরক খাদ্য হিসেবে ননী জুস ও ননী ক্যাপসুল যে সকল রোগের প্রতিষেধক হিসেবে ব্যবহার করত তা হলোঃ হৃদরোগ, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, ক্যান্সার, টিউমার, গ্যাষ্টিক আলসার, রক্তনালীর সমস্যা, কিডনির সমস্যা, টিউবারকুলোসিস, থাইরয়েড সমস্যা ইত্যাদি।
ক্লিনিক্যাল সার্ভে পরিসংখ্যানঃ
ডঃ নীল সলোমন যিনি যুক্তরাষ্ট্রের মেরিল্যান্ডের হেলথ এন্ড মেন্টাল হাইজিন এর প্রাক্তন ফাস্ট সেক্রেটারী। তিনি ননী জুসের মেডিসিনাল উপকারীতার ওপর এক সঠিক জরিপ চালিয়ে ছিলেন। যেখানে ৫০জন ডাক্তার ও হেলথ্ পেশাজীবির রোগীরা পূর্বেই ননী জুস পান করে ছিলেন বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য। নীল সলোমন ১০ হাজারেরও বেশি ননী ব্যবহারকারীর ফলাফল পরবর্তী পর্যালোচনা করে দেখতে পান শতকরা ৬৫জন ক্যান্সার রোগীর উপসর্গ কমে, শতকরা ৭২ জনের শক্তিবৃদ্ধি পেয়েছিল ননী ব্যবহার করে, শতকরা ৭৫ জনের অতিরিক্ত ওজন কমে যায়, শতকরা ৮৫ জনের উচ্চ রক্তচাপ কমে যায়। ৮০ ভাগ আথ্রাইটিস ও হৃদরোগীর উপসর্গ কমে যায়। শতকরা ৮৪ জন টাইপ-১ ও টাইপ-২ ডায়াবেটিস রোগীর উপসর্গ কমে যায়, শতকরা৮৪ জনের অ্যালার্জির উপসর্গ কমে যায়।
সর্বোপরি ননী জুস পানকারী সকল অংশগ্রহণকারীর পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া ছিল খুবই কম।

ব্যবহার বিধিঃ
সঠিক নিয়মে ও নিয়মিত ননী পানের এর সর্বোচ্চ ফল লাভ করা যায়। ননী সেবন শুরু করতে হয় অল্প মাত্রায়। তবে ডোজ বাড়ানো বা কমানো নির্ভর করে শরীরের অবস্থা বুঝে। উল্লেখ্য যে, ননী পানের সাথে সারাদিন প্রচুর পানি পান করতে হয় এতে বিষাক্ত টক্সিন (জীবাণু) বের হয়ে যায়।
প্রথম তিন দিনঃ
১ চা-চামচ (৫মি.লি), ১৫০ মিলি পানিতে মিশিয়ে সকালে নাস্তার ৩০ মি. পূর্বে।
১ চা-চামচ (৫মি.লি), ১৫০ মিলি পানিতে মিশিয়ে রাতের খাবারের ৩০ মি. পূর্বে।
চতুর্থ থেকে ষষ্ঠ দিনঃ
২ চা-চামচ (১০মি.লি), ১৫০ মিলি পানিতে মিশিয়ে সকালে নাস্তার ৩০ মি. পূর্বে।
২ চা-চামচ (১০মি.লি), ১৫০ মিলি পানিতে মিশিয়ে রাতের খাবারের ৩০ মি. পূর্বে।
বিঃদ্রঃ এপোলো ননী জুস নিয়মমাফিক ও দীর্ঘমেয়াদে পান করার পর আপনার শরীরের পরিবর্তন সহজে বুঝতে পারবেন। যেহেতু এটি একটি সম্পূরক খাদ্য তাই এতে কোন পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া নেই বললেই চলে। তবে মাথা ব্যাথা, বমিভাব, কফ ও ডায়রিয়া ইত্যাদি প্রাথমিক অবস্থায় হতে পারে যা ক্ষনস্থায়ী পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া।

সরাসরি পেতে ফোন করুনঃ 01819-520009

ননী সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্যঃ
www.facebook.com/BibortonHealthScience
www.naturalstandard.com on August 4, 2009
www.nccam.nih.gov
www.nlm.nih.gov/medlineplus/druginfo/natural/758.html
www.sarinoni.com/medical.html
www.fightingcancer.com/facts
www.incc.org (for testimonial)

আয়কর কি?

আয়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সত্ত্বার আয় বা লভ্যাংশের উপর প্রদেয় কর। আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতায় কর বলতে অধ্যাদেশ অনুযায়ী প্রদেয় আয়কর, অতিরিক্ত কর, বাড়তি লাভের কর, এতদসংক্রান্ত জরিমানা; সুদ বা আদায়যোগ্য অর্থকে বুঝায়। অন্যবাবে বলা যায় যে, কর হচ্ছে রাষ্ট্রের সকল জনসাধারনের স্বার্থে রাষ্ট্রের ব্যয় নির্বাহের জন্য সরকারকে প্রদত্ত বাধ্যতামূলক অর্থ।

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪  এর আওতায় দুই ধরনের কর আরোপ করা হয়ঃ

  • (১) ব্যক্তিগত আয়কর
  • (২) কর্পোরেট আয়কর
কোন ব্যক্তি আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত ?

অর্থ আইন ২০১৫ এর আওতায় প্রত্যেক ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশীসহ), হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা ২,৫০,০০০/- টাকার উপরে হলে আয়কর প্রদানের জন্য উপযুক্ত বলে বিবেচিত হবেন। তবে-

(১) মহিলা এবং ৬৫ বৎসর বা তদুর্ধ ব্যক্তি করদাতা আয় ৩,০০,০০০/- টাকার উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।

(২) প্রতিবন্ধি করদাতা আয় ৩,৭৫,০০০/- টাকার উপরে হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।

(৩) গেজেট ভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা করদাতার আয় সীমা ৪,২৫,০০০/- টাকার উপর হলে তিনি আয়কর প্রদানের উপযুক্ত হবেন।

আয়করকে কেন প্রগতিশীল কর বলা হয় ?

অায়কর হচ্ছে ব্যক্তি বা সত্ত্বার উপর সরকার কর্তৃক আরোপিত কর, যা আয় বা লভ্যাংশের পরিমাণ ভেদে পরিবর্তিত হয়। প্রগতিশীল কর হচ্ছে সেই কর ব্যবস্থা যাতে করদাতার আয় বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে করহার বৃদ্ধি হয়। আয়কর আরোপিত হয় করদাতার কর পরিশোধ করার ক্ষমতার উপর। তাই আয়করকে প্রগতিশীল কর বলা হয়।

আয়করের জন্য আয়ের খাত কি কি?

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ অনুযায়ী আয়ের খাত সমূহ নিন্মরুপঃ

  • বেতনাদি
  • নিরাপত্তা জামানতের উপর সুদ
  • গৃহ সম্পত্তির আয়
  • কৃষি আয়
  • ব্যবসা বা পেশার আয়
  • মূলধনী মুনাফা
  • অন্যান্য উৎস হতে আয়।

       তবে রিটার্ণ জমা দেয়ার সময় নিন্মলিখিত আয়ের খাতগুলি সম্পৃক্ত হবে

  • ফার্মের আয়ের অংশ
  • স্বামী/স্ত্রী বা অপ্রাপ্ত বয়স্ক সন্তানের আয়
নূন্যতম কর কি?

অর্থ অাইন ২০১৫ মোতবেক সাধারনভাবে করমুক্ত আয়ের সীমা ১,৫০,০০০/০০। করমুক্ত আয়ের সীমা অতিক্রম করলে করদাতাকে এলাকাভেদে নূন্যতম যে কর পরিশোধ করতে হয় তাকে নূন্যতম কর বলে। নূন্যতম করের পরিমাণ যথাক্রমে ৫০০০/০০ (ঢাকা ও চট্রগ্রাম সিটিকর্পোরেশন এরিয়া), ৪০০০/০০ (অন্য সিটি কর্পোরেশন এরিয়া), ৩০০০/০০ (সিটিকর্পোরেশন এর বাইরে অন্য যে কোন এরিয়া)

আয়কর প্রদানের জন্য কোন বয়স সীমা আছে কি?

অর্থ আইন ২০১৫ এর আওতায় প্রত্যেক ব্যক্তি করদাতা উল্লেখ থাকলেও করদাতার সুনির্দিষ্ট বয়সসীমা উল্লেখ নেই। তবে মহিলা এবং ৬৫ বছর বা তদুর্ধ্ব বয়সের ব্যক্তি, প্রতিবন্ধীদের এবং গেজেটভুক্ত যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধাদের কর মুক্তির সীমা ভিন্নভাবে উল্লেখ রয়েছে। তাই আয়সীমা ২,৫০,০০০/= টাকা অতিক্রম করলে উক্ত আয়ের উপর কর প্রযোজ্য, সেক্ষেত্রে বয়স বিবেচ্য নয়।

আয়কর নিবন্ধন কি?

আয়কর অধ্যাদেশ ১৯৮৪ এর আওতায় নূন্যতম করমুক্ত আয়ের সীমা অতিক্রম করলে কিংবা ধারা 75(1A) তে বর্ণিত তালিকার ক্ষেত্রে রিটার্ণ দাখিল বাধ্যতামূলক না, রিটার্ণ দাখিলের জন্য একজন করদাতাকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের অর্ন্তগত কোন আয়কর কমিশনারেটের অধীনে সার্কেল থেকে ১২ ডিজিটের TIN গ্রহণ করে নিবন্ধিত হতে হয়। একেই আয়কর নিবন্ধন বলে।

আয়করের জন্য নিবন্ধন প্রয়োজন কেন?

একজন করদাতাকে নিবন্ধনের মাধ্যমে করদাতা হিসাবে সনাক্ত করা হয়। ব্যক্তি করদাতা (অনিবাসী বাংলাদেশীসহ) হিন্দু যৌথ পরিবার, অংশীদারী ফার্ম, ব্যক্তি সংঘ এবং আয়কর আইনের দ্বারা সৃষ্ট কৃত্রিম ব্যক্তির আয়ের সীমা  ২,৫০,০০০/= টাকার উপরে হলে নিবন্ধন প্রয়োজন। নিবন্ধিত করদাতা বছর শেষে রিটার্ণ জমা দেওয়ার মাধ্যমে বাৎসরিক আয়, ব্যয় ও সঞ্চয় বর্ণনা করেন।

নিন্মোক্ত ক্ষেত্রে আয়কর নিবন্ধন প্রয়োজনঃ

১. আমদানীর উদ্দেশ্যে ঋণপত্র খোলার সময়;

২. আমদানী রেজিষ্ট্রেশন সার্টিফিকেট পাওয়ার উদ্দেশ্যে আবেদনের সময়;

৩. করপোরেশনের বা পৌরসভা এলাকায় ট্রেড লাইসেন্স নবায়ন করার সময়;

৪. চুক্তি কার্যকর, পণ্য সরবরাহ বা সেবা প্রদানের লক্ষ্যে দরপত্র দাখিলের সময়;

৫. কোম্পানী আইন, ১৯৯৪ এর আওতায় নিবন্ধনকৃত কোন ক্লাবের সদস্য হবার জন্য আবেদন দাখিল করার সময়;

৬.  সাধারন বীমার সার্ভেয়ার হিসেবে তালিকাভূক্তি বা লাইসেন্স প্রাপ্তি বা নবায়নের সময়;

৭. কোন সিটি কর্পোরেশন বা জেলা সদরের কোন পৌরসভা এলাকায় অবস্থিত ভূমি, ভবন বা এপার্টমেন্টের চুক্তি মূল্য যদি এক লক্ষ টাকার উর্ধ্বে হয়, সেই ক্ষেত্রে ঐ ভূমি, ভবন বা ফ্লাট ক্রয়ের রেজিষ্ট্রেশনের সময়;

৮. সিটি কর্পোরেশন এলাকার মধ্যে অবস্থিত কোন ভূমি, ভবন বা কোন এপার্টমেন্টের ক্রেতা বাংলাদেশের অনিবাসী বাংলাদেশী হইলে তার ক্রয়ের রেজিষ্ট্রেশনের সময় (f) এর বিধান কার্যকর হইবে না;

৯. কার, জিপ বা মাইক্রোবাসের মালিকানা পরিবর্তন কিংবা ফিটনেস রেজিষ্ট্রেশন নবায়নের সময়;

১০. কোন বানিজ্যিক ব্যাংক বা লিজিং কোম্পানী কর্তৃক কোন ব্যক্তিকে ৫ (পাঁচ) লক্ষ টাকার অধিক ‍ঋণ বরাদ্দ দানকালে;

১১. ক্রেডিট কার্ড ইস্যুর সময়;

১২. ডাক্তার, চার্টার্ড একাউনন্ট্যান্ট, কষ্ট এন্ড ম্যানেজমেন্ট একাউনন্ট্যান্ট,  আইনজীবি বা আয়কর পেশাজীবির পেশাদারী লাইসেন্স অনুমোদনের সময়;

১৩. কোন কোম্পানীর ডাইরেক্টর বা কোন কোম্পানীর স্পন্সর শেয়ার হোল্ডার হওয়ার সময়;

১৪. বাংলাদেশের নাগরিক নয় এমন অনিবাসীর ক্ষেত্রে (১১) এর বিধান কার্যকর হইবে না;

১৫. মুসলিম বিবাহ ও তালাক (নিবন্ধন) আইন, ১৯৭৪ এর আওতায় নিকাহ রেজিষ্ট্রারের লাইসেন্স প্রাপ্ত হয়েছে, তার ক্ষেত্রে অত্র বিধান কার্যকর হওয়ার তিন মাসের মধ্যে টি.আই.এন সনদ সংগ্রহ করিতে হইবে;

১৬. কোন বাণিজ্য সংস্থার মেম্বারশিপ নবায়নে বা মেম্বারশিপ আবেদনকালে;

১৭. গৃহসম্পত্তি নির্মাণের নিমিত্ত রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক), চিটাগাং ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (সিডিএ), খুলনা ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (কেডিএ), রাজশাহী ডেভেলপমেন্ট অথরিটি (আরডিএ) হতে অনুমোদন পাওয়ার উদ্দেশ্যে প্লান জমা প্রদানের সময়;

১৮. ড্রাগ লাইসেন্স ইস্যু করনের সময়;

১৯. সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা বা ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড এলাকার মধ্যে বানিজ্যিক ভিত্তিতে গ্যাস সংযোগের আবেদনের সময়;

২০. ভাড়ায় চালিত বাস, ট্রাক, প্রাইমমোভারন, লরী ইত্যাদি রেজিষ্ট্রেশনে, মালিকা পরিবর্তন, ফিটনেস নবায়নের সময় এবং প্লেইং ফর হায়ারের সময়;

About directory

Market Bangladesh is a dynamic online directory. It help to increase and expands business. One can create firms or shops profile and add images of products & services with the help of our representatives and also create Offer and Events. It will effective and efficient to all classes of people and business.Continue

User Login



Not registered yet?

Join the system.

Create an account